রোগীদের প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর
ডা. হানিফ আহমেদ তৌহিদের চেম্বার সময়সূচী, সিরিয়াল বুকিং, রোগের চিকিৎসা ও রিপোর্ট দেখানো সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জেনে নিন।
ডা. হানিফ আহমেদ তৌহিদ নিয়মিত রোগী দেখেন সিলেটের কাজলশাহের নিউ মেডিকেল রোডে অবস্থিত পপুলার মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড (৬ষ্ঠ তলা, রুম নং-৬০৫)-এ। রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৫:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত (প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার চেম্বার বন্ধ থাকে)।
রোগী দেখানোর দিন সকাল ৯:০০টার পর সরাসরি ০১৩৪৬-১৩২৪৮৬ নম্বরে কল করে আপনার সিরিয়াল বুক করতে পারবেন। এছাড়াও সিরিয়ালের তথ্যের জন্য আমাদের অফিশিয়াল WhatsApp (+8801346132486)-এ মেসেজ দিতে পারেন।
রোগীদের সুশৃঙ্খল সিরিয়াল ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সাধারণত রোগী দেখানোর দিন সকাল ৯:০০টা থেকেই সিরিয়াল গ্রহণ করা হয়। তবে দূরবর্তী জেলা থেকে আগত রোগী বা বিশেষ প্রয়োজনে আগে থেকেই চেম্বারের সাপোর্ট স্টাফদের সাথে ফোনে কথা বলে পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
আপনার নির্ধারিত সিরিয়াল নম্বরের আনুমানিক সময়ের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট পূর্বে পপুলার মেডিকেল সেন্টারের ৬ষ্ঠ তলার চেম্বার লাউঞ্জে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে। এতে প্রাথমিক ভাইটালস (রক্তচাপ, পালস, ওজন) পরিমাপ ও রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা সহজ হয়।
হ্যাঁ, পপুলার মেডিকেল সেন্টার সিলেটে আধুনিক সার্বক্ষণিক লিফট সুবিধা, হুইলচেয়ার চলাচলের ব্যবস্থা এবং ভবন সংলগ্ন পার্কিং সুবিধা রয়েছে।
ডা. হানিফ আহমেদ তৌহিদ অর্জন করেছেন MBBS (সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), MCPS (মেডিসিন) এবং মেডিসিনের সর্বোচ্চ ডিগ্রি FCPS (মেডিসিন)। বর্তমানে তিনি সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি প্রাপ্তবয়স্কদের জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের সুচিকিৎসা দেন। যার মধ্যে রয়েছে: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ (হাই প্রেশার), থাইরয়েড ও হরমোন সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল জ্বর (টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, অজ্ঞাত জ্বর), শ্বাসকষ্ট ও বুকের ইনফেকশন, গ্যাস্ট্রিক আলসার ও লিভার সমস্যা, বাতব্যথা ও জয়েন্টের ব্যথা, প্রস্রাবের ইনফেকশন (UTI), রক্তস্বল্পতা এবং দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা।
ডা. হানিফ মূলত প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী রোগীদের ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ১২ বছরের নিচের শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ (Pediatrician) চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা শ্রেয়।
অবশ্যই। বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে একই সাথে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, কিডনি জটিলতা কিংবা বাতের ব্যথা থাকলে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডা. হানিফ সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে ওষুধের সঠিক সমন্বয় ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়ানোর সুচিকিৎসা প্রদান করেন।
রোগীর পূর্ববর্তী সকল প্রেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্র, বিগত সব রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, ইসিজি ইত্যাদির রিপোর্ট, পূর্বে হাসপাতালে ভর্তির ছাড়পত্র (যদি থাকে) এবং বর্তমানে যে সকল ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন তার তালিকা বা পাতার প্যাকেট সাথে আনা অত্যন্ত জরুরি।
প্রথমবার রোগী দেখানোর পর যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়, সেগুলো সম্পন্ন করে সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে চেম্বারে এসে রিপোর্ট দেখানো যায়। রিপোর্ট দেখাতে আসার দিনও চেম্বার নম্বরে যোগাযোগ করে সময় নিশ্চিত হয়ে আসা উত্তম।
ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকলে সাধারণত প্রতি ১ থেকে ৩ মাস অন্তর ফলো-আপ করা উচিত। তবে ওষুধ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বা সুগার/প্রেসার উঠানামা করলে চিকিৎসকের নির্ধারিত তারিখে পুনরায় এসে পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
হ্যাঁ, ডাক্তারের সাথে সাক্ষাতের পূর্বেই চেম্বারের অভিজ্ঞ সহকারীরা রোগীর রক্তচাপ (BP), পালস রেট, দেহের ওজন এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক গ্লুকোজ বা সুগার (RBS) পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
না, রোগী তাঁর সুবিধামতো যেকোনো মানসম্মত ও বিশ্বস্ত ডায়াগনস্টিক ল্যাব থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারেন। সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য টেস্টের রিপোর্টের নির্ভুলতাই মূল বিবেচ্য বিষয়।
প্রাইভেট চেম্বার মূলত নিয়মিত ও পরিকল্পিত পরামর্শ সেবার জন্য। হঠাৎ তীব্র বুকব্যথা, জ্ঞান হারানো, স্ট্রোকের লক্ষণ, তীব্র শ্বাসকষ্ট বা রোগীর আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে কোনো বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ (Emergency Dept) অথবা নিকটস্থ জরুরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
চেম্বারে সরাসরি সাক্ষাতই সঠিক শারীরিক পরীক্ষার প্রধান মাধ্যম। তবে প্রবাসী বা দূরবর্তী রোগীদের ফলো-আপ পরামর্শ ও জরুরি নির্দেশনার জন্য আমাদের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ (+8801346132486)-এ যোগাযোগ করে বিশেষ স্লট সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাবে।
রোগীর পূর্ণ নাম, ফোন নম্বর এবং রোগী দেখানোর আনুমানিক তারিখ উল্লেখ করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে (+8801346132486) মেসেজ দিন। আমাদের চেম্বার সাপোর্ট টিম দ্রুত আপনাকে চিকিৎসকের সাথে সমন্বয় করে সহায়তা প্রদান করবে।
ডাক্তার দেখানোর জন্য খালি পেটে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে যদি খালি পেটের টেস্ট (যেমন Fasting Blood Sugar বা Lipid Profile) প্রয়োজন হয়, তবে চিকিৎসক সাক্ষাৎ শেষে স্পষ্ট নিয়ম জানিয়ে দেবেন। আপনার নিয়মিত প্রেসারের ওষুধ সময়মতো খেয়ে আসাই নিরাপদ।
জ্বর যদি ৩-৪ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, ১০২ ডিগ্রির উপরে উঠে, সাধারণ প্যারাসিটামলে না কমে অথবা শরীরে তীব্র কাঁপুনি, র্যাশ ও বমি ভাব থাকে, তবে নিজে নিজে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে দ্রুত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করলে ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধী হয়ে ওঠে (Antibiotic Resistance), যার ফলে পরবর্তীতে জীবনঘাতী ইনফেকশনেও কোনো অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না। এছাড়া সাধারণ ভাইরাস জ্বর বা ডেঙ্গুতে অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজে আসে না, বরং কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করে। তাই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনো অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।
নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন আছে?
সিরিয়াল, চেম্বার অবস্থান বা জরুরি যে কোনো তথ্যের জন্য আমাদের সাপোর্ট নাম্বারে সরাসরি কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
