ডা. হানিফ আহমেদ তৌহিদমেডিসিন বিশেষজ্ঞ · সিলেট
স্ট্রোক (Stroke)
#stroke
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
বিশেষজ্ঞ ক্লিনিকাল বিশ্লেষণ ও চিকিৎসা

স্ট্রোক (Stroke)

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্তনালী বন্ধজনিত স্ট্রোকের পর প্যারালাইসিস পুনর্বাসন এবং পুনরায় স্ট্রোকের ঝুঁকি রোধ।

ক্লিনিকাল বিভাগইন্টারনাল মেডিসিন
প্রধান লক্ষণসমূহ5 টি লক্ষণ
চিকিৎসা পদ্ধতি5 ধাপের চিকিৎসা

রোগের বিস্তারিত বিবরণ ও কারণ (Overview & Pathophysiology)

রোগের উৎস, ঝুঁকি ও জটিলতার ক্লিনিকাল পর্যালোচনা
স্ট্রোক (Stroke) হলো মস্তিষ্কের রক্তনালীর একটি মারাত্মক জটিল রোগ। অনেকেই ভুলবশত স্ট্রোককে হার্টের রোগ মনে করেন, কিন্তু স্ট্রোক মূলত মস্তিষ্কের বা ব্রেনের রোগ। যখন মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালী চর্বি বা জমাট রক্ত দিয়ে বন্ধ হয়ে যায় (ইস্কেমিক স্ট্রোক) অথবা উচ্চ রক্তচাপের কারণে রক্তনালী ফেটে রক্তক্ষরণ হয় (হেমোরেজিক স্ট্রোক), তখন মস্তিষ্কের সেই অংশের কোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়। স্ট্রোকের ফলে হঠাৎ করে মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া, একপাশের হাত-পা অবশ বা প্যারালাইসিস হওয়া, কথা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া এবং ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার মতো সমস্যা দেখা দেয়। ডা. হানিফ আহমেদ তৌহিদ স্ট্রোক পরবর্তী পুনর্বাসন, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস কঠোর নিয়ন্ত্রণ, রক্ত পাতলা রাখার সঠিক ওষুধ এবং পুনরায় যেন স্ট্রোক না হয় সে লক্ষ্যে সমন্বিত আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

প্রধান উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ (Common Symptoms & Identifiers)

যেসব শারীরিক উপসর্গ দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে
হঠাৎ শরীরের একপাশের হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া বা শক্তি না পাওয়া
মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া
হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া বা শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা
অস্বাভাবিক তীব্র মাথাব্যথা ও বমি ভাব
চোখে হঠাৎ অন্ধকার দেখা বা একটি জিনিস দুটি দেখা

ডা. হানিফের বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি (Clinical Protocols)

আধুনিক গাইডলাইন অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা সেবা
পুনরায় স্ট্রোক প্রতিরোধে রক্ত জমাট বাঁধা রোধের নিয়মিত ওষুধ সেবন
রক্তচাপ, রক্তের সুগার ও কোলেস্টেরল শতভাগ নিরাপদ সীমায় রাখা
প্যারালাইসিস দূর করতে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন
স্ট্রোক রোগীর মানসিক স্বাস্থ্য ও স্মৃতিশক্তির যত্ন নেওয়া
হৃদযন্ত্র ও ঘাড়ের রক্তনালীর নিয়মিত পরীক্ষা ও ফলোআপ